সর্বশেষ আপডেট করা হয়েছে : Thursday 20th of November 2008 - 01:24:53 AM 
Links
সাহিত্য
শিল্পকলা
সমাজবিজ্ঞান
দর্শন
শিক্ষা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সঙ্গীত
পারফর্মিং আর্ট
প্রকৃতি ও পরিবেশ
গণমাধ্যম
মুক্তিসংগ্রাম
স্থাপত্য
সংগঠক
ক্রীড়া
মানবাধিকার
লোকসংস্কৃতি
নারী অধিকার আন্দোলন
আদিবাসী অধিকার আন্দোলন
যন্ত্র সংগীত
উচ্চাঙ্গ সংগীত
আইন
আলোকচিত্র
সাহিত্য গবেষণা
ইতিহাস গবেষণা
চিকিৎসা বিদ্যা
উপদেষ্টা পরিষদ
গুণীজন কর্মসূচির ইতিহাস
গুণীজনের পেছনে যাঁরা
গুণীজন দল
Online Exhibition
New Prof
গিয়াসউদ্দিন আহমদ সেলিনা পারভীন আনোয়ার পাশা
 
     
কবি সুফিয়া কামালের নবম মৃত্যুবার্ষিকী
 
কবি বেগম সুফিয়া কামাল। বাঙালির ধমনি-শিরায় নিরন্তর প্রবাহিত একটি নাম। এ দেশের প্রতিটি সাংস্কৃতিক আন্দোলনে, রাজনৈতিক সংকটে সব সময় জনগণের পাশে ছিলেন সাহসিকা জননী রূপে। সারা জীবন ছড়িয়ে গেছেন প্রগতি, মানবিকতা ও অসাম্প্রদায়িকতার দ্যুতি। ২০ নভেম্বর ২০০৮ইং তাঁর নবম মৃত্যুবার্ষিকী।

জন্মেছিলেন ১৯১১ সালের ২০ জুন, বরিশালের শায়েস্তাবাদের রাহাত মঞ্জিলে, নানার বাড়িতে। জীবনাবসান হয় ১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর ঢাকায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে।

প্রায় ৮৮ বছরের বর্ণাঢ্য জীবন ছিল তাঁর। শৈশবে মা সাবেরা বানু ও মামা মোহাম্মদ হোসেনের প্রেরণা ও উৎসাহে প্রথার বাইরে গিয়ে বাংলা শেখেন। কৈশোরেই শুরু করেন সাহিত্যচর্চা। ‘সৈনিক বধু’ নামে তাঁর প্রথম গল্প ছাপা হয় বরিশালের তরুণ পত্রিকায়, ১৯২৩ সালে। ১৯২৫ সালে মহাত্মা গান্ধী বরিশাল এলে সুফিয়া কামাল নিজ হাতে সুতা কেটে প্রকাশ্য জনসভায় তা গান্ধীজির হাতে তুলে দেন। সওগাত পত্রিকায় ‘বাসন্তী’ নামে তাঁর প্রথম কবিতা ছাপা হয় ১৯২৬ সালে। ১৯৩১ সালে ইন্ডিয়ান উইমেন ফেডারেশনের প্রথম মুসলিম নারী সদস্য নির্বাচিত হন।

সাঁঝের মায়া, কেয়ার কাঁটা, মায়াকাজল প্রভৃতি কবির উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। নারীমুক্তি ও মানবমুক্তি আন্দোলনের আজীবন সংগ্রামী কবি সুফিয়া কামাল নারীর অধিকার আদায়ের আন্দোলন এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে গড়ে তোলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। তিনি ছিলেন পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভানেত্রী। বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, মো. নাসিরউদ্দিন প্রমুখ খ্যাতিমান ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছে। কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর সম্পর্কে লিখেছেন, ‘বাংলার কবিগগনে নবোদিত উদয়তারা’। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও সুফিয়া কামাল সম্পর্কে প্রশংসাসুচক বাণী লিখেছিলেন।

নারী অধিকার রক্ষা ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কবি সুফিয়া কামাল ছিলেন অগ্রপথিক। নানা কর্মসুচির মধ্য দিয়ে এই মহীয়সী নারীর মৃত্যুবার্ষিকী পালন করবে দেশবাসী। দিনটি উপলক্ষে সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি ২০ নভেম্বর বিকেল তিনটায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক স্নরণসভার আয়োজন করেছে।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, ২০ নভেম্বর ২০০৮ইং।

 
   
 
     
নাসিরউদ্দিনের ১২০তম জন্নবার্ষিকী
 
সংবাদ জগতের প্রবাদপুরুষ, সওগাত সম্পাদক ও বেগম পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা, নারী জাগরণের অন্যতম অগ্রপথিক, সর্বজনশ্রদ্ধেয় মরহুম মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিনের ১২০তম জন্নদিন আজ ২০ নভেম্বর। এ উপলক্ষে মরহুমের বাসভবন নাসিরউদ্দিন স্নৃতি ভবন, ৩৮ শরৎগুপ্ত রোড, নারিন্দায় দুপুরে দুস্থদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ এবং বাদ আসর আলোচনা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, ২০ নভেম্বর ২০০৮ইং।

 
   
 
     
হাসান আজিজুল হক ও ফাদার রিগনকে সংবর্ধনা দেবে ঋষিজ
 
সাংস্কৃতিক সংগঠন ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠী সাহিত্য ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অবদানের জন্য কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ফাদার মারিনো রিগনকে সংবর্ধনা দেবে। সংগঠনের ৩২ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০ নভেম্বর ২০০৮ইং বিকেল চারটায় শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে তাঁদের পদক দেওয়া হবে।

১৯৭৬ সালের ২৩ নভেম্বর ঋষিজের যাত্রা শুরু হয়। সংগঠনটি ১৯৮৩ সাল থেকে জাতীয় ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ‘ঋষিজ পদক’ দিয়ে আসছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন প্রবীণ সাংবাদিক ফয়েজ আহমদ এবং বিশেষ অতিথি থাকবেন সংস্কৃতিসচিব শরফুল আলম। গণসংগীতশিল্পী হেমাঙ্গ বিশ্বাসের স্নৃতির উদ্দেশে উৎসর্গ করা হবে অনুষ্ঠানটি।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, ২০ নভেম্বর ২০০৮ইং।

 
   
 
     
মেজর জলিলের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী
 
মেজর এম.এ জলিলের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী ১৯ নভেম্বর । মুক্তিযুদ্ধ কালীন মেজর জলিল ৯ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে মেজর জলিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহন করা হয়েছে। এসবের মধ্যে রয়েছে সকাল ০৯ টায় ঢাকার মিরপুর মুক্তিযোদ্ধা কবরস্থানে এক মিলাদ মাহফিলের আয়োজন । এছাড়াও মেজর জলিলের জন্মস্থান বরিশালের উজিরপুরে মেজর জলিল পরিষদ এবং স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের আয়োজনে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এই দিনে গুণীজন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে মহান এই বীরকে।

সূত্র: দ্যা ডেইলি ষ্টার, ১৯ নভেম্বর ২০০৮ইং।

 
   
 
     
চার আলোকিত ব্যক্তিকে আইডিইবি সম্মাননা প্রদান
 
গ্রামেগঞ্জে নীরবে-নিভৃতে নিজ পরিসরের বাইরে গিয়ে প্রতিনিয়ত অসামান্য অবদান রেখে চলেছেন অনেক প্রচারবিমুখ ব্যক্তি। নিজের কর্মদক্ষতা আর অসামান্য উদ্ভাবনী ক্ষমতায় দেশ ও জাতিকে করছেন আলোকিত। এ রকমই চারজন আলোকিত মানুষকে সম্মাননা ও সংবর্ধনায় সিক্ত করল ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি), তাদের ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও গণপ্রকৌশল দিবস-০৮ উপলক্ষে।

এই চার ব্যক্তিত্ত্ব হলেন হরিপদ কাপালি, শাহিদ হোসেন, পলান সরকার ও মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন। ১৮ নভেম্বর বিকেলে রাজধানীর আইডিইবি মিলনায়তনে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইডিইবির সভাপতি রফিকুল ইসলাম। প্রধান অতিথি ছিলেন চ্যানেল আইয়ের বার্তা বিভাগের প্রধান শাইখ সিরাজ।

কৃষিতে সম্মাননা দেওয়া হয় হরিধানের উদ্ভাবক হরিপদ কাপালিকে। ঝিনাইদহের সদর উপজেলার আহসাননগর গ্রামের এই কৃষক ১৯৯৯ সালে তাঁর জমিতে বি-আর ১১ জাতের ধান চাষের সময় দেখতে পান এক ধরনের মোটা ধানগাছ। ওগুলো না কেটে তিনি সযত্নে রেখে দেন। পরের বছর ১০ কাঠা জমিতে ওই ধান চাষ করেন। অন্যান্য ধানের চেয়ে এর ফলন অনেক বেশি হওয়ায় রাতারাতি এ খবর ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র এবং সবাই হরিপদের ধান হিসেবে এর চাষ শুরু করে। প্রযুক্তিতে সম্মাননা দেওয়া হয় মোহাম্মদ শাহিদ হোসেনকে। দিনাজপুরের এই কৃতী সন্তান চার বছর গবেষণা করে ২০০৭ সালে জ্বালানিবিহীন বিদ্যুৎ উৎপাদন করেন।

শিক্ষায় সম্মাননা দেওয়া হয় রাজশাহীর পলান সরকারকে। প্রচারবিমুখ এই মানুষটি নিজের স্বল্প আয়ের টাকা দিয়ে বই কিনে গ্রামে গ্রামে বিলিয়ে বেড়ান শিক্ষার আলো ছড়াতে।

শিক্ষায় সম্মাননা পাওয়া আরেক ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন। নিভৃতচারী এই মানুষটি ১০ কিলোমিটার পথ কখনো পায়ে হেঁটে, কখনো বা সাইকেলে করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে দারিদ্র্যপীড়িত গ্রামের মানুষকে লেখাপড়া শেখানোর কাজ করেন।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, ১৯ নভেম্বর ২০০৮ইং।

 
   
 
Gunijan

Content on this site is licensed under Creative Commons Attribution-Noncommercial 3.0 Unported.
© 2008 All rights of Photographs, Audio & video clips and softwares on this site are reserved by
/ .